মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,নড়াইল।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

 নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইলের নারী শিক্ষার শ্রেষ্ঠতম ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে সগৌরবে মাথা উচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এর ইংরেজি বর্ণ ``U’’(ইউ) আকৃতির সৃবৃহৎ ত্রিতল অট্টালিকা। পূর্বে জর্জ কোর্ট, যার গা ঘেষে দেহে তরঙ্গ তুলে পথ চলেছে আড়িয়াল খাঁ সাহেবের সুন্দরী কন্যা চিত্রা।

১৯৫১ সাল

 মহান স্রষ্ঠা যে বাণী দিয়ে কুরআন মজিদ নাযিল শুরু করেছেন,তার প্রথম কথাটি ‘পড়’। জ্ঞান অর্জন কর। তাই মহানবী (সঃ) বলেছেন প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর উপর জ্ঞানার্জন ও শিক্ষা গ্রহণ ফরজ। একটি জাতি উন্নয়নে পুরুষের পাশাপাশি নারী শিক্ষার প্রয়োজনয়ীতা কম না বরং অপরিসীম। তবুও  কথাটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে, অতীত এ দেশে পুরুষের শিক্ষা যাই থাক, কম হলেও ছিল। কিন্তু নারী শিক্ষার বিষয়টি ছিল চরমভাবে উপেক্ষিত ও অবহেলিত। বিশেষ করে মসুলিম নারীদের অবস্থা ছিল আরও শোচনীয়, আরও করুন। নারী জাগরণের অগ্রদূত ও প্রগতির দিশারী বেগম রোকেয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত ও উদ্দীপ্ত হয়ে প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। তাদের প্রচেষ্টায় স্থানীয় বিত্তশালী সচেতন মহলের সহযোগীয়তা তখন প্রতিষ্ঠা লাভ করে- এ বিদ্যাপীঠ। সূচনালগ্নে গোলপাতার ছাউনি দিয়ে ছোট্ট একখানা চালাঘর তুলে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যমত্ম একটি মাইনর গার্লস স্কুলের কাজ শুরু করা হয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের আবসান ঘটে। তখন বাতাস ছিল অনুকুলে। সে বাতাস লাগলো এ বিদ্যাপীঠের সবুজ পালে। আর তরী চলল ধেয়ে। পাড়ি দিল ১০ বছরের রাস্তা ১০ দিনে। মাইনর স্কুল উন্নীত হল হাই স্কুলে। এ ছিল ১৯৫১ সালের কথা। তখন জনাব ওয়ারেশ আলী চৌধুরী, মহাকুমা প্রশাসক হয়ে এলেন এখানে। তিনি ছিলেন বিদ্যোৎসাহী এক মহান ব্যক্তিত্ব। তিনি চাইলেন নারী শিক্ষার রুদ্ধ দোয়ার খুলে দিতে। তাই নিজে এসে দাড়ালেন এ প্রতিষ্ঠানের পাশে। সম্পূর্ণ নিজ তহবিলের অর্থ দিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি করে দিলেন একটি পাকা ঘর। তাঁর এ দানে মুগ্ধ হয়ে বিদ্যালয়ের তদানিন্তন পরিচালনা কমিটি  কৃতজ্ঞতায়, তাঁর এ দানের স্বীকৃতি স্বরূপ ও স্মৃতি জাগরুক রাখার জন্য তার মৃত কন্যা ‘‘দিলরুবা’’র নামে এ বিদ্যালয়ের নামকরণ করেন ‘‘নড়াইল দিলরুবা গার্লস হাই স্কুল’’। সেই ‘‘দিলরুবা গার্লস হাই স্কুল’ই এখন ‘‘নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়’’। 

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ জাকির হোসেন সিকদার ০১৮১৭৫৭৮১৪৯ zakir.nrlbd@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

 

৩য় শ্রেণী - ৫০ জন। ৪র্থ শ্রেণী - ৮০ জন। ৫ম শ্রেণী - ৯৪ জন।

৬ষ্ঠ শ্রেণী - ২৫১ জন। ৭ম শ্রেণী - ২০৪ জন। ৮ম শ্রেণী - ২০২ জন।

৯ম শ্রেণী  - ১৫৪ জন। ১০ম শ্রেণী - ১১৩ জন।

100%

০৫ সদস্য বিশিষ্ঠ্য কমিটি।

১। সভাপতি - জেলা প্রশাসক (১)।

২। সদস্য - সিভিল সার্জন।

৩। সদস্য - জেলা শিক্ষা অফিসার।

৪। সদস্য - প্রকৌশলী শিক্ষা অধিদপ্তর(ফ্যাসিঃ)

৫। সদস্য সচিব  - প্রধান শিক্ষক।


 

 

পরীক্ষার বছর

মোট পরীক্ষার্থী

মোট পাশ

পাশের হার

মন্তব্য

২০০৭

১০১

৯৩

৯৪.৮৯%

 

২০০৮

 

৯৬

৯০.৫৭%

 

২০০৯

১১০

১০৭

৯৭.২৫%

 

২০১০

৮৯

৮৯

১০০%

 

২০১১

১০৯

১০৯

১০০ %

 

 

প্রাইমারি বৃত্তিঃ

ট্যালেন্টপুল ০২ টি সাধারণ ০৪টি মোটঃ ০৬ জন। ২০১০ সাল।

জে.এস.সি বৃত্তিঃ

ট্যালেন্টপুল ০৮ টি সাধারণ ১৭ টি মোট ২৫জন,  ২০১০ সাল।

 ২০১০ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় যশোর বোর্ড-এ ২০তম স্থান অধিকার।

 পাবলিক  পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ৫ প্রাপ্ত করানো।

 

নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নড়াইল।

ডাক+উপজেলা+জেলা- নড়াইল।

ফোন - ২৬৩২৪

ই-মেইলঃ ngghs@yahoo.com

 রূপমত্মী, অমিত্ম, অদ্রি, সুমি, ঋতু অনমিকা, ধারা, মৌলী, নুসরাত জাহান, প্রমিতি সুস্মিতা সেন, পূজা বিশ্বাস, জান্নাতুল, অন্যন্যা প্রেমি, সাইমা ।