মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

মাওলানা ভাসানী বিদ্যাপীঠ (গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ )

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

মাওলানা ভাসানী বিদ্যাপীঠ (গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ ) টি শিল্পনগরী খালিশপুরের এক মনরোম পরিবেশে ৩ (তিন) একর জায়গার উপর অবস্থিত । মেয়েদের লেখাপড়ার এটি একটি স্বতন্ত নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । বিদ্যালয়টি ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । ১৯৮১ সালে বিদ্যালয়টি নিম্ন মাধ্যমিক এবং পরবর্তীতে মাধ্যমিক  বিদ্যালয় হিসেবে স্বকৃতি লাভ করে। বিদ্যালয়টি  বর্তমানে  তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক জ্ঞান দানের  পাশাপাশি খেলাধুলা  সহপাঠ্য ক্রমিক কার্যাবলী ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ  নেওয়া হয়েছে ।  বিদ্যালয়টির লেখাপড়ার মান দিন দিন উন্নতি হচেছ ।  ২০০২ সাল থেকে বিদ্যালয়টি উচ্চমাধ্যমিক  শাখায় উন্নিত হয়েছে । প্রতিষ্ঠানের বর্তমানে ৪১ জন শিক্ষক কর্মচারী ও ৮২৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । লেখাপড়ার দিক দিয়ে বিদ্যালয়টি অত্র এলাকার নাম করা প্রতিষ্ঠানের  মধ্যে একটি ।

০১ - ০১ -১৯৮১ ইং ।

১৯৮১ সালে শিল্পনগরী খালিশপুরের প্রাণ কেন্দ্রে শ্রমিক ও আবাসিক এলাকার জন সাধারণের চাহিদার প্রেক্ষিতে তাদের সন্তানদের সুশিক্ষত  করার মানসে  বিশেষ করে মেয়েদের জন্য  একটি স্বতন্র প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করার লক্ষ্যে অত্র এলাকার রাজনৈাতক গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মজলুম জননেতা মাওলানা্ আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নামে প্রতিষ্ঠানটির নাম করণ করেন । সেই সময় থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে শিশু শ্রেনী থেকে ১০ শ্রেণী পর্যন্ত যাত্রা শুরু হয় । বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান , ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখার ছাত্রীদের পাঠদান করানো হয় । তাছাড়া ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক  সমাপনী ও জে,এস,সি পরীক্ষাসহ এস,এস,সি পরীক্ষার ফলাফল সমেতোষজনক । বিদ্যালয়টি শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে নয় খেলা ধুলা বির্তক প্রতিযোগীতাসহ  পাঠ্যক্রমিক কার্যাবলী নাচগান সামাজিক কর্মকান্ড ও সাংস্কৃতি অঙ্গনেও সমানভাবে অবদান রয়েছে । বিদ্যালয়টি বর্তমানে গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ হিসেবে স্বকৃতি লাভ করেছে । এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা খোলা হয়েছে । উভয় শাখায় কাম্য সংখ্যক ছাত্রী ভর্তি আছে । তাছাড়া উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক । প্রতিষ্ঠানটি ঐতিহ্য বাহী মাওলানা ভাসানী বিদ্যাপীঠ (গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ ) হিসেবে  খালিশপুরের শীর্ষস্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত ।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ সিরাজুল ইসলাম 0 mdsirajulislam@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল

মোট ছাত্র/ছাত্রীর সংস্যাঃ ৮২৭ জন

 

 ছাত্র/ছাত্রীদের সংখ্যা (শ্রেণী ভিত্তিক  )ঃ

শ্রেনী

ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা

 মোট

শিশু

১৮

১৮

প্রথম

৩০

৩০

দ্বিতীয়

৪৭

৪৭

তৃতীয়

৪৫

৪৫

চতুর্থ

৪৭

৪৭

পঞ্চম

৫৪

৫৪

৬ষ্ঠ

৮৭

৮৭

৭ম

৫৯

৫৯

৮ম

৬৩

৬৩

৯ম

৮৪

৮৪

১০ম

৭০

৭০

একাদশ

১১৯

১১৯

দ্বাদশ

১০৪

১০৪

৮৪.১৫%

ক্রমিক নং

পদবী

নাম

০১

সভাপতি

জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম বাশার

০২

প্রতিষ্ঠাতা  সদস্য

জনাব মোঃ আশরাফ হোসেন

০৩

দাতা  সদস্য

   নাই

০৪

শিক্ষক সদস্য

জনাব এস এম আব্দুল জলিল(কলেজ শাখা)

০৫

শিক্ষক সদস্য

জনাব বিকাশ চন্দ্র সরকার (মাধ্যমিক শাখা)

০৬

সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক

জনাব সুরাইয়া পারভীন

০৭

অভিভাবক সদস্য

জনাব হাবিবুর রহমান (কলেজ শাখা)

০৮

অভিভাবক সদস্য

জনাব মোঃ সাহেব আলী (কলেজ শাখা)

০৯

অভিভাবক সদস্য

জনাব প্রণব কান্তি সরকার (মাধ্যমিক শাখা)

১০

অভিভাবক সদস্য

জনাব কামরুজ্জামান (মাধ্যমিক শাখা)

১১

অভিভাবক সদস্য

জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (প্রাথমিক শাখা)

১২

অভিভাবক সদস্য

জনাব মিসেস আরিফা আলম (প্রাথমিক শাখা)

১৩

সঃ মঃ অভিঃ সদস্য

জনাব হাবিবা বেগম

১৪

সদস্য সচিব

অধ্যক্ষ ,মাওলানা ভাসানী বিদ্যাপীঠ (গার্লস স্কুলএন্ডকলেজ )

১০।প্রাথমিক/জে,এস,সি/এস,এস, সি / এইচ ,এস,সি পরীক্ষার ফলাফলঃ

পরীক্ষার নাম

সাল

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

উর্ত্তীণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের হার

জে,এস,সি

২০১০

৭৩ জন

৬২

৮৫%

’’

২০১১

৮৭

৭৩

৮৪%

এস,এস, সি

২০০৭

৭৮

৭০

৯০%

’’

২০০৮

৭৯

৬৯

৮৭.৩৪%

’’

২০০৯

৮২

৬৯

৮৪.১৫%

’’

২০১০

৭০

৬০

৮৭.১৪%

’’

২০১১

৭৩

৬৭

৯২%

এইচ ,এস,সি

২০০৭

১২৫

৬৬

৫৩.৭৬%

’’

২০০৮

১০৬

৫৭

৫৪.৭০%

’’

২০০৯

১০৯

৮৬

৭৮.৮৯%

’’

২০১০

৭০

৫০

৭১.৪২%

’’

২০১১

৭৭

৩৯

৫০.৬৪%

বিদ্যালয়টি ১৯৮১ সালে  প্রতিষ্ঠিত হলেও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও উন্নত পরিবেশের কারণে বিদ্যালয়টি যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে । এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তি ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগীতার পাশাপাশি বিদ্যালয়টির লেখাপড়া তথা সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে । তাছাড়া  বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সুদৃষ্টির কারণে বিদ্যালয়টি অবকাঠোমোগত যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে । পর্যাপ্ত শ্রেনী কক্ষ , আলাদা আলাদা সায়েন্সল্যাব , কম্পিউটারল্যাব , লাইব্রেরী , কমন রুমসহ অন্যান্য কক্ষের সংকুলান হয়েছে । বিষয় ভিত্তিক দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক  নিয়োগ করা হয়েছে । একথায় প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে যুগোপযুগী শিক্ষা দান ওশিক্ষার্থীদের উন্নত পরিবেশে রেখে সার্বিক মানোন্নয়নের ব্যবস্থা করা হয়েছে । যার ফলে ২বার খুলনা  জেলার  শ্রেষ্ঠ বালিকা বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে । অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় পর্যায় সঙ্গীত প্রতিযোগীতায় ১ম ও ৩য় স্থান অধিকার করে । ১৯৮৭ সালে এস এস সি পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে ৬ষ্ঠ ও ৭ম স্থান লাভ করে ।

প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক মানোন্নয়নের জন্য যা যা  করনীয় তা বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ করে যাচেছন । শিক্ষার্থীরা যাতে বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সুশিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতীয় কল্যাণে অবদান রাখতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মান উন্নয়নের জন্য আরও নতুন নতুন যুগোপযোগীয় শিক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে ।  প্রতিষ্ঠানটি খুলনা তথা দেশের একটি নামকরা নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার বাস্তব ভিত্তিক পরিকল্পনা  আছে । ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভিশন ২০২১ কে সামনে রেখে ছাত্রীদেও সেই মানসে গড়িয়া তোলার জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাগন আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচেছ ।

0